অমিত সরকার জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জয়পুরহাট কে.জি. এবং উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং পরবর্তীতে জয়পুরহাট জেলা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন লেদার প্রোডাক্টস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং পরবর্তীতে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন।
জয়পুরহাটে অবস্থানকালে গুরুজি চঞ্চল মণ্ডলের কাছে তাঁর তবলায় হাতেখড়ি হয়। গুরুজি গোবিন্দ কর্মকারের তত্ত্বাবধানে তিনি জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে তবলায় ৪ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকায় আসার পর গুরুজি মৃত্যুঞ্জয় মজুমদারের সঙ্গে থেকে দীর্ঘদিন তবলা সাধনা করেন। এরপর ভারতীয় দূতাবাসের ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে গুরুজি পণ্ডিত গোপাল মিশ্রের সান্নিধ্যে ২ বছরেরও অধিক সময় তালিম গ্রহণ করেন এবং এখনো তাঁর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।
শিল্পীসত্তার তাড়নায় সংস্কৃতির পূজারি হিসেবে কখনো বাঁশি, আবার কখনো বেহালায় নিরন্তরভাবে আচ্ছন্ন থেকেছেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি দীর্ঘদিন তবলা বাদক হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে পারফর্ম করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান “নন্দশিল্প একাডেমি”-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তাঁর নিপুণ দক্ষতা, নিষ্ঠা, সততা ও দৃঢ়চেতা দূরদৃষ্টির মাধ্যমে একজন সফল সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
“অব্যক্ত অভিব্যক্তি” শিরোনামে তাঁর একমাত্র কাব্যগ্রন্থ অমর একুশে বইমেলা ২০২৪-এ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও উদীয়মান গীতিকবি হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে শ্রোতাপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
তিনি তবলা শিল্পী হিসেবে শিল্পশৈলী প্রদর্শন এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উৎসবে অংশগ্রহণ করেছেন। এ উপলক্ষে তিনি ভারত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড ভ্রমণ করেছেন।











